শনিবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ রাত ২:৩৫

কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না নদী থেকে বালু উত্তোলন

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪            

শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনে মেতে উঠেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই বালু বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন উপায়ে। প্রশাসনও ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও বালু উত্তোলন ঠেকাতে পারছে না।

উপজেলার বিনোদপুর, চন্দ্রপুর ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয় এবং নদী ঘুরে দেখা গেছে ৩০টির বেশী স্থানে ড্রেজার দিয়ে নদী ও সরকারি খাস জমি থেকে বালু উত্তোলন হয়। এছাড়াও ফসলি জমি থেকে ভ্যাকু দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি হয়।

গয়াতলা নদীর মুন্সি কান্দি এলাকায় রাতভর নদী থেকে বালু উত্তোলন করেন মফিজুল মুন্সি নামে এক বালু ব্যবসায়ী। সেই বালু তার নিজস্ব পরিবহনে করে ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিয়ে ফুট প্রতি ১১ টাকা নিয়ে থাকেন। আর পাইপ দিয়ে সরাসরি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিয়ে নেয় ফুট প্রতি ৫ টাকা। অথচ বালু তুলছেন নদী থেকে।

এই বিষয়ে মফিজুল মুন্সি বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স পালং ট্রেডার্স-২। নদী থেকে বালু তুলে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকেন।

স্থানীয়রা জানায়, ড্রেজার ও ভ্যাকুর যন্ত্রণায় তারা অস্থির। ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে ফসলি জমি নষ্ট করা হয় আবার ফসলি জমি থেকে ভ্যাকু দিয়ে মাটি কেটে নষ্ট করা হয়।

এই বিষয়ে শরীয়তপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্বরত সহকারি কমিশনার সেগুফতা মেহনাজ বলেন, মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ধ্বংস করা হয়। খুব শিঘ্রই বড় পরিসরে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাও হতে পারে।

© Alright Reserved 2021, Hridoye Shariatpur